photo_2020-09-13_22-48-10

ইসলামি ইতিহাস পাঠের পূর্ব সতর্কতা

ঠিক এমনিভাবে প্রাচ্যবিদদেরও ইসলামী ইতিহাস চর্চার আলাদা নীতি ও উদ্দেশ্য আছে। অধিকাংশ তো ইসলামকে বিকৃত করা, মানুষের কাছে ইসলামকে প্রশ্নবিদ্ধ করা, মুসলিমদের ভিতর ইসলামের ব্যাপারে সন্দেহ তৈরি করা, পাশ্চাত্যের সাথে ইসলামকে সামঞ্জস্যশীল করা সহ ইত্যাদি বিকৃত এজেন্ডা সামনে নিয়ে ইসলামকে পড়েছে। মুসলিমদেরকে পাশ্চাত্যের ধর্মে দীক্ষিত করা, মুসলমানদের উপর তাদের উপনিবেশ ও আদর্শিক কর্তৃত্ব টিকিয়ে রাখা এবং পাশ্চাত্য ও ইসলামী সভ্যতার মাঝে সংঘাতময় জায়গাগুলো মিটিয়ে দেয়া ছিল তাদের প্রধান লক্ষ্য। আবার কেউ কেউ নিরপেক্ষতার জায়গা থেকেও ইসলামী জ্ঞানকে চর্চা করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু তারা পাশ্চাত্য কিছু মূল্যবোধে বিশ্বাসী হওয়ায় সেই জায়গা থেকে ইসলামকে দেখেছে। হাসান আসকারী রহিঃ বলেন, প্রাচ্যবিদদের ইসলামী জ্ঞান চর্চার নেপথ্যে ষড়যন্ত্রমূলক বিভিন্ন উদ্দেশ্য ছিল। তবে এই উদ্দেশ্যসমূহের পাশাপাশি সেসব চিন্তাচেতনার প্রভাব কার্যকর ছিল যেগুলো পশ্চিমা সভ্যতার ইতিহাসে নানাভাবে জন্ম নিয়েছিল। যেমন ইতিহাসবাদ, মুক্তচিন্তা, বস্তুবাদ ইত্যাদি। ফলে ষড়যন্ত্রমূলক উদ্দেশ্যের বাইরে থেকেও যারা নিষ্ঠার সাথে ইসলামী জ্ঞান চর্চার প্রতি মনোনিবেশ করেছিল উল্লেখিত পাশ্চাত্য দর্শনগুলোর প্রভাবে তাদের মস্তিষ্কটাই বিকৃত হয়ে…

20200902_230521

মুসলিম উম্মাহর অধঃপতন : কারণ ও উত্তরণের পথ

আত্মবিশ্বাস ও মনোবল ছাড়া মুসলমানদের বিজয় আসবে না, অধঃপতন থেকে উত্তরণ হবে না। তাতার-যুগের মুসলমানদের ইতিহাসে দেখা গেছে, তারা এই মনোবলহীনতার শিকার হওয়ার ফলে, এই দাসত্ব মেনে নেওয়ার ফলে মাত্র একটা তাতার শত শত মুসলমানকে হত্যা করেছে। এমনকি এমনও হয়েছে, এক তাতার-সেনা তরবারি আনতে ভুলে গেছে। সে মুসলমানকে রাস্তায় মাথা নিচু করে বসে থাকার নির্দেশ দিল। মুসলমান লোকটাও ওভাবেই মাথা নিচু করে বসে থাকল, তবু পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাটুকু করল না। পরে তাতারটা তরবারি নিয়ে এসে তাকে হত্যা করে দিল। এমনও হয়েছে, একটা তাতার এক সড়কে এল। সেখানে আঠারোজন মুসলিম ছিল। তাতারটা তাদেরকে একে অন্যকে বেঁধে ফেলার নির্দেশ দিল। আর আঠারোজন মুসলিম মাত্র একটা তাতারকে প্রতিরোধ করার পরিবির্তে একে অন্যকে বেঁধে ফেলতে শুরু করল![৩৪] এতটা অধঃপতন, এতটা মানসিক পরাজয়, এতটা মনোবলহীন হলে কখনোই মুসলমানদের বিজয় আসবে না; কাফেরদের মার খেয়ে বেঘোরে মরতে…

photo_2020-08-31_19-15-12

ইসলামে নারী নেতৃত্বের হুকুম

সকল মাজহাবের ফুকাহায়ে কেরাম এ ব্যাপারে একমত যে, নারীদের হাতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা অর্পণ করা জায়েজ নেই; এই পদের জন্য প্রাথমিক একটা শর্ত হল তাকে পুরুষ হতে হবে।

এমনকি যারা নারীদের রাজনৈতিক অধিকারের কথা বলেন এবং রাজনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণের প্রতি জোর দেন, তারাও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার ক্ষেত্রে নারীদেরকে সমর্থন করেন না। এক্ষেত্রে তাঁরা বলেন, প্রধানমন্ত্রীত্বের পদ কেবল পুরুষের জন্যই; নারীর জন্য নয়।

এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, এই মতের প্রবক্তারা সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর পদকে ইসলামি শাসন ব্যবস্থার প্রধান নেতা (খলিফা)-এর পদের